
পটুয়াখালী বাসীর দাবি এরকম :
“আগামীর বাংলাদেশে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে দক্ষিণবঙ্গের রত্ন প্রিন্সিপাল শাহ মোঃ নেছারুল হক সাহেবকে টেকনোক্র্যাট কোঠায় ধর্মমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই!”প্রিয় দেশনায়ক তারেক রহমান সাহেব, আপনার কাছে পটুয়াখালীবাসীর একটিই প্রাণের দাবি—যিনি দুর্দিনে বুক পেতে দিয়ে দল আগলে রেখেছেন, সেই ত্যাগী আলেম ও জননেতা প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব মাওঃ শাহ মোঃ নেছারুল হক সাহেবকে আমরা আগামীর টেকনোক্র্যাট কোঠায় ধর্মমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।★কেন তিনি আমাদের প্রাণের দাবি?১. রাজপথের ৪২ বছরের পরীক্ষিত সৈনিক: ১৯৮২ সালে কুষ্টিয়া আলিয়া মাদরাসা ছাত্রদলের ভিপি, ১৯৯১ সালে কেন্দ্রীয় মাদ্রাসা ছাত্র দলের সদস্য সচিব, ১৯৯৩ সালে ঢাকা মহানগর সভাপতি থেকে শুরু করে ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক ও আহবায়ক হিসেবে তিনি দলের প্রতিটি সংকটে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। বর্তমানে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি অবিচল।২. কারাগারের অন্ধকার ও ত্যাগ: ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিজের অবুঝ সন্তানসহ জেল খেটেছেন যা তৎকালীন সময় জনমনে ছড়িয়ে পরে। অকথ্য নির্যাতন সহ্য করেছেন—তবুও শহীদ জিয়ার আদর্শ আর আপনার নেতৃত্বের প্রতি একবিন্দু আনুগত্য কমেনি।৩. অসীম সাহসিকতার কাণ্ডারি: যখন মা বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর জানাজা ও দাফনে সরকারের ভয়ে অল্প কিছু মানুষের মধ্যে নেছার সাহেবও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লাশের সাথে কবরে নেমেছিলেন।৪. উন্নয়নের জাদুকরী ছোঁয়া: তিনি কোনো মন্ত্রী না হয়েও শুধুমাত্র নিজ অর্থায়নে ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভর্নর এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থেকে পটুয়াখালীর শত শত মসজিদের সংস্কার, অসহায়দের যাকাত ফান্ড ও ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করেছেন। পাশাপাশি শীতকালীন সময়ে অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।যদি আজ তিনি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান, তবে সারা বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনা ও ধর্মীয় অবকাঠামো যে আমূল বদলে যাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।৫. আকিদা ও শিক্ষা রক্ষা: ৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে মাদ্রাসা বোর্ড ও ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে বসে তিনি যেভাবে ভ্রান্ত আকিদার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন বলিষ্ঠ অবস্থান তাকে আলেম সমাজের অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতা করে তুলেছে।৮.হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা: হজ ও ওমরাহ ফি কমানো এবং ফ্লাইট ব্যবস্থাপনা সহজ করার ক্ষেত্রে তার দূরদর্শী পরিকল্পনা ও অভিজ্ঞতা সারা বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপকারে আসবে বলে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা মনে করেন। প্রিয় নেতা তারেক রহমান,পটুয়াখালীর মাটি ও মানুষের এই কান্না এবং চাওয়াকে সম্মান দিন। হজ ও ওমরাহ খরচ কমিয়ে হাজীদের কষ্ট লাঘব করতে এবং দুর্নীতিমুক্ত ধর্ম মন্ত্রণালয় গড়তে ওনার মতো একজন অভিজ্ঞ ও আল্লাহভীরু মানুষ দরকার। ”